স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন আসুন জেনে নিই

 স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন -স্বাস্হ্যবিষয়ক আজকের সিরিজটা হতে যাচ্ছে একের ভিতর একশো।অবাক হলেন তো কেন এই কথা টি বলছি তার কারণ টা কি জানেন?কারণ টা হলো আজ আমি এই সিরিজে আপনাদের জন্য তক্ক,চুল,দাঁত,মুখ এমন কি সাস্থ্য কে সুস্থ সুন্দর কি করে রাখবেন? সেই সকল বিষয় টিপস দিব।তো এবার ভাবুন আজকের সাস্থ্য বিষয়ক সিরিজ টি কত না আপনার জন্য এক্সসাইটমেন্ট আর  উপকারী হতে চলছে।

স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন


আজকের এই সকল টিপস টি প্রাপ্তবয়স্ক, মাঝ বয়সী এমন কি বয়স্ক সকল এর জন্য হতে যাচ্ছে।আর সাস্থ্য তক্বকে সুন্দর রাখতে কে না ভালবাসে।আমাদের প্রিয়জন এর এটেনশান পাওয়ার সর্ব প্রথম উপায় হচ্ছে আমাদের সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা।তো এবার চলে যায় কিভাবে নিজের ব্যাক্তিত্ব কে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করব?ভাবছেন হয়ত আমার এই হেলথ টিপস কত ব্যয়বহুল?আরে এমন কিছুই না জাস্ট আপনার হাতের কাছেই রয়েছে নিজেকে উপস্থাপন করার সব থেকে সহজ পদ্ধতি, আর আপনার সামর্থ শক্তির মধ্যেই।

 

চলুন আগে আমাদের মুখ অবয়ব দিয়ে শুরু করি। এই ব্লগে আমরা জানতে পারব যে   মুখের যত্ন কিভাবে নেব,মুখে ম্যাসাজ করার নিয়ম,চুলের যত্ন ঘরোয়া উপায়,সুস্বাস্থ্য গঠনের উপায়

মুখের যত্ন কিভাবে নেব

 

আপনি দেখতে শ্যামবর্ণ এর কিন্তু এটা ম্যাটার করেনা যে আপনি তাই বলে আকর্ষণীয়  হতে পারবেন না।যদি তাই ভেবে থাকেন তা মন থেকে ধুয়ে ফেলে দিন।চারপাশের মানুষ কি বলছে তাও এড়িয়ে চলুন। কারণ আপনি আপনার মত সুন্দর। আর নিজের প্রতি যত্নবান হোন।প্রথমত এই ফেইস কেয়ার তখন কার্যকরী হবে যখন আপনি চিন্তামুক্ত হাসি খুশি থাকবেন।আমার এই ফেইস কেয়ার অবশ্যই কাজ দিবে।যদি আপনি যে নিয়মিত তা ফলো করুন।প্রথমত আপনাকে নিয়মিত ব্যবহারের জন্য একটা ফেস প্যাক পদ্ধতি বানাতে হবে।হু এটা ভাববেন না কি না কি কঠিন উপকরণ দিব।এমন কিছুই না রয়েছে তো আমাদের প্রাকৃতিক উপকরণ হাতের কাছেই আর সেই উপকরণ টি খুব সিম্পল আর তা হলো শসা।এই শসা খুব সাধারণ কিন্তু আপনি যদি আমার কথায় এটি নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন,তবে আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি তার চমকপ্রদ ফলাফল আপনি নিজেই অনুভব করবেন।

স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন


শুধু তাই নয় আপনার চারপাশের সবাই আপনার সৌন্দর্য উজ্জ্বলতার সিক্রেট টিপস জানতে প্রচুর উদগ্রীব হবে।তো জেনে নিন কি করে বানাবেন এই সহজ ফেস প্যাক।প্রথমেই আপনার হাত টাভালো করে ধুয়ে নিবেন।আপনি শসা ধুয়ে তা কেটে নিবেন।একটা বড় অংশ নিয়ে নিবেন।কোন পিস করা লাগবেনা জাস্ট খোসা টা ফেলে দিবেন।এরপর একটা গ্রেটারে গ্রেট করে নিবেন।গ্রেটারে গ্রেট করার পর গ্রেট করা শসা একটা বাটিতে নিংড়ে রস গুলো নিয়ে নিবেন।এরপর একটা বরফ জারে রস ভর্তি করে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিবেন।ব্যাস প্রতিদিন শাওয়ারের আগে একটা শসার বরফ পিস এক পিস পাতলা সুতি কাপড়ে মুড়িয়ে আপনার মুখে আলত করে ম্যাসাজ করে দিবেন।মুখ যখন এই রস শুকিয়ে মুখের অভ্যন্তরীণ তেল উঠে যাবে।একটা সুতি কাপড়ে আপনার ফেসওয়াস বা সাবান ফেনিয়ে স্কিন টা আলত করে ম্যাসাজ করে নিবেন।ব্যাস আর কি।এরপর প্রতি দিন রাত্রে একটা বাটিতে নিয়ে নিন মধু আর কিছুটা রোজ ওয়াটার।এই দুইটি উপকরণ আপনার তক্কে উজ্জ্বলতা জেল্লা বাড়িয়ে দিবে।মধু আর রোজ ওয়াটার সম্পূর্ণ মুখ মন্ডলে আলত করে ম্যাসাজ করে নিবেন।আর ম্যাসাজ করে তিন ঘন্টা বা কম পক্ষে আড়াই ঘন্টা রেখে দিবেন।এই সময়ে আপনি চেষ্টা করবেন ঠান্ডা স্থানে রাখতে স্কিন কে।নতুবা ঘাম বের হয়ে স্কিন থেকে মধুর প্রলেপ টা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

 

এই সময় ম্যাসাজ সব সময় উপর এর দিকে করবেন।মানে মুখের উপর দিকে উঠতে থাকবে।নিচের দিকে ম্যাসাজ করবেন না এতে আপনার সুন্দর মুখ ঝুলে যেতে পারে খুব সহজে বয়সের ছাপ বা এইজ ম্যারিকেল পড়ে যেতে পারে।আর স্কিন ম্যাসাজ করার সময় ভুলেও ঘসামাজা করবেন না।আলত করে ম্যাসাজ করবেন

প্রতিদিন রাতে ব্যবহার করতে পারেন তিব্বত স্নো এটি স্কিনের কোন রূপ ক্ষতি করেনা। আপনার স্কিন কে রাখবে মোলায়েম।ফেস ওয়াস হিসেবে সব থেকে ভালো হয় শসার ফ্লেবার এর ফেসওয়াস,এটি সব রকম স্কিন টাইপ সুট করে।কোন ক্ষতি বা একনি ছড়ায় না।এরপর যদি আপনি স্কিনে কোন ভালো মানের সোপ ব্যবহার না করেন তবে তা আপনার স্কিন ব্রণ একনি ছড়াবে।তাই আপনি স্কিন যদি সোপ ব্যবহার করেন তবে রোজ ফ্লেবার এর সোপ বা বেবি সোপ ব্যবহার করতে পারবেন।

মুখে ম্যাসাজ করার নিয়ম

 

স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন


স্কিন ম্যাসাজ:এবার বলব যে জিনিস টা আপনার স্কিন কে টানটান রাখবে। আমরা হয়ত খরচের দিক বিবেচনা করি আর ফেসিয়াল বা ম্যাসাজ করতে পারিনা।কারণ সবার হয়ত পার্লার গিয়ে ম্যাসাজ করার সময় সুযোগ বা সামর্থ যাই বলুন থাকেনা।কিন্তু একটা বয়সের পর এটা আমাদের স্কিন এর জন্য অনেক অনেক বেশি প্রয়োজন হয়।আর স্কিন ম্যাসাজ এমন প্রয়োজন স্কিনের জন্য যা স্কিনে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। একনি বা ব্রণের ঝুকি দূর করে স্কিন গ্লো ছড়ায় স্কিন কে টানটান আর তারুন্য ফিরিয়ে আনে।সহজ উপায়ে ম্যাসাজ করবেন আর কম খরচ পেয়ে যাবেন আয়ুর এর কিউকাম্বার বা শসা স্ট্রেকচার এর ম্যাসাজ ক্রিম টা।এতে কোন ক্ষতিকর দিক নেই।


 স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন

 

১৮ থেকে উপর বয়সী সকলে এইটি ব্যবহার করতে পারবে।আর এটি খুব সল্পমূল্যে পেয়ে যাবেন।পনের দিন পর পর এটি করতে পারবেন।প্রথমে স্কিন ম্যাসাজ করার পূর্ব স্কিন টা ভালো করে ধুয়ে নিবেন। এরপর মুখে গাড়ে গলায় প্রয়োজন মত ম্যাসাজ ক্রিম এপ্লাই করে নিবেন।ঘড়ির কাটার ন্যায় উপর এর দিকে ম্যাসাজ করবেন পাচ মিনিট মত।চোখ এর সংস্পর্শে যাতে না আসে খেয়াল রাখবেন।এরপর খুব ভালো করে নরমেল তাপমাত্রার পানি দিয়ে ধুয়ে নিবেন।

স্কিন স্কার্ব:যদিও দামি  স্কারবার প্রাইজ ৪০০ থেকে১০০০ বা এর বেশি মূল্যেও।কিন্তু আমি মনে করি আপেল ফ্লেবার এর লর্ড কোম্পানি এরটা যথেষ্ট ভালো। আর কোন ক্ষতি নেই।এটি ব্যবহার তক্কের দাগ ছোপ একনি দূর হয় তক্ক হয় গ্লো টানটান ব্রাইট।এটি ম্যাসাজ এর পর ম্যাসাজ এর মত করে স্কিনে এপ্লাই করবেন।এরপর স্কিন ধুয়ে নিয়ে একটু গরম ভাপ দিবেন।এতে আপনার ব্ল্যাকহেডস হোয়াইট হেডস বের হয়ে  হয়ে যাবে।

স্কার্ব ব্রণ থাকা অবস্থায় করা যাবেনা।যে জিনিস টি নিয়মিত প্রয়োজন স্কিনের জন্য তা হল সুষম খাওয়া ধাওয়া।যদিও আমরা যথেষ্ট আলসেমি করি।কিন্তু আমাদের উচিত নিয়মিত এসব খাদ্য খাদ্য তালিকায় রাখা।খাদ্যভ্যাস:স্কিন ঠিক রাখতে লাবন্য রাখতে আমাদের উচিত সবুজ শাকসবজি খাওয়া।এছাড়াও খাবার স্যালাইন,ট্যাং ওর স্যালাইন টেস্টি স্যালাইন গ্লোকোজ এসব খাওয়া।মাঝে মাঝে লেবুর শরবত বা তেতুল এর শরবত খাওয়া উচিত এটি ভিটামিন সি এর অভাব পূরণ করবে।ভিটামিন সি আমাদের স্কিনে পরিমিত পরিমাণ থাকলে স্কিন সুন্দর থাকে আর ব্রণমুক্ত থাকে।আর পর্যাপ্ত পানি আমাদের স্কিন কে রাখে সুস্থ।ফল মূল এর  মধ্যে কলা,,আম আমলকি আনার মালটা, কমলা, স্কিন এর সৌন্দর্য বাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।দুধ দিয়ে হলুদ মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত।

  সুস্বাস্থ্য গঠনের উপায়

 

স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন

সাস্থ্যের জন্য:যারা খুব দূর্বল সাস্থ্যের অধিকারী তাদের জন্য এই সাস্থ্য টিপস টি।প্রতিদিন ভোরে উঠে ভাত খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত।গরমের দিন হলে পান্তা ভাত খাওয়া উচিত এটি খুব দ্রুত ওজন বাড়ায়।আর কলা প্রচুর পরিমাণ উপকারী।প্রতিদিন সামান্য লবণ চিনি মিশিয়ে ভাতের মাড় খাওয়া উচিত।এটি খুব দ্রুত ওজন বাড়ায়।এছাড়া প্রতিদিন পাকা খেজুর শসা খাওয়া উচিত।এটি ওজন বাড়ায়।যাদের রক্ত শূন্যতা রয়েছে তাদের উচিত কবুতরের মাংস ঝোল,শিং কই মাছ শোল মাছ জাতীয় মাছ,আনার খাওয়া।

চুলের যত্ন ঘরোয়া উপায়

 

চুলের যত্ন:রুক্ষ পাতলা চুল প্রতিটা মানুষ এর জন্য অস্বস্তির কারণ।পাতলা চুলের যত্নে সপ্তাহে একবার পচ্ছন্দের নারকেল তেল,ক্যাস্টার ওয়েল,ওলিভ ওয়েল অনিয়ন ওয়েল কয়েক সেকেন্ড একটা স্টিলের পাত্রে গরম করে একটু ঠান্ডা হলে স্ক্যাল্প বা চুলের গোড়ায় লাগিয়ে চার ঘন্টা রেখে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন।এতে চুল এর বৃদ্ধি পূরণ হয় চুলে পু্ষ্টিগুণ বজায় থাকে।এছাড়াও তিন মাস পর পর চুলের আগা কাটতে হবে।এতে চুলের আগা ফাটা রোদ হবে।


গোসলের পর চুলের গোড়া শক্ত করে বাধা যাবেনা।এমন কি চুল জোরে জোরে আঘাত করে পানি শুকানো যাবেনা ভেজা চুল কখনো আচড়ানো উচিত নয়।চুলের ঝট ছাড়িয়ে তবেই চুল তেল লাগাতে হবে।আর চুল আচড়াতে প্রথমেই চিরুনির মোটা দাত ব্যবহার করতে হবে।

দাঁত এর যত্ন:দাত প্রতিদিন রাতে খাবার এর পর ব্রাশ করা উচিত।আর সকালে নাসতা করে ব্রাশ করতে হবে।দাঁত খুব বেশি হলুদ হলে খাবার এর কণা জমে গেলে স্কেলিং করানো যেতে পারে।এটি করতে তেমন খরচ হয়না বা এটি দাতের কোন রূপ ক্ষতি করেনা।এছাড়াও মাঝে মাঝে কোন ডেন্টিস্ট এর সাথে চেকাপ করা উচিত।

কেমন লাগল জানাবেন আজকের এই সিরিজ।আশা করি ভালো লাগবে।নিজের শারীরিক মানসিক যত্ন নিন।নিজেকে ভালবাসুন।

إرسال تعليق (0)
أحدث أقدم