ফিল্যান্সিং এর কাজ কীভাবে করে আসুন জেনে নিই

 ফিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি

বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং বা  মুক্ত পেশা পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় পেশাগুলোর একটি।বাংলাদেশের অনেক বেকার যুবক যুবতী ফিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম গুলোতে কাজ করার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছেন।ফিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করার আগে আপনার উচিত  হবে  আগে দক্ষতা অর্জন করা।এই ব্লগে আমরা জানতে পারবো

 ফ্রিল্যান্সিং  কোন কাজের চাহিদার বেশি

ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি

 ফিল্যান্সিং এর কাজ কি

ফিল্যান্সিং  এর কাজ কীভাবে করে

ফিল্যান্সিং  এর কাজ কীভাবে করে আসুন জেনে নিই




ফ্রিল্যান্সিং  এ কোন কাজের চাহিদা বেশি

ফিল্যান্সিং করার জন্য কাজের অনেক ক্ষেত্র  আছে।আপনি যদি  যেকোনো একটি   কাজ ভালোভাবে শিখের এবং ওই কাজটি প্রফেশনালি করতে পারেন  তাহলে আপনার কাজের অভাব হবে  না।তবে  কিছুর কাজের চাহিদা অত্যধিক বেশি।আসুন আমরা জেনে নিই  সেই  কাজগুলো


১.মেশিন লার্নিং

২.অটোমেশিন

৩.ডাটা অ্যানাইলাইসিস

৪.মোবাইল এপ্লিকেশন ডেপেলভমেন্ট

৫.এসইও(সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন)

৬.ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট

৭.ওয়ার্ডপ্রেস

৮.গ্রাফিকস  ডিজাইন

৯.কন্টেন্ট  রাইটিং

১০.এনিমেশন ডিজাইন

১১.লোগো ডিজাইন

১২.ভিডিও এডিটিং

এই কাজগুলো খুবই চাহিদাসম্পন্ন।প্রথমে এই কাজগুলোর যেকোনো  একটিতে নিজের দক্ষতা  বৃদ্ধি  করতে হবে।আপনার উচিত হবে প্রায় এক বছর  সময় নিয়ে  দক্ষতা  অর্জন  করা।এই কাজগুলোর মধ্যে মধ্যে যেমন ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট এর মতো কাজগুলো খুবই  জটিল প্রকৃতির  অনেকেই তাই কাজ শিখতে গিয়ে ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন কিন্ত  আপনাকে মনে রাখতে হবে  ফিল্যান্সিং করতে অবশ্যই আপনাকে ধৈয্যশীল হতে হবে কারন  এই কাজ শিখতে  গিয়েই যদি আপনি ধৈর্য্য হারিয়ে  ফেলেন তাহলে আপনার  ফিল্যান্সিং ক্যারিয়ার অবশ্যই ব্যর্থতায়  পর্যবসিত হবে।

ফিল্যান্সিং এর  ভবিষ্যৎ কি

ফিল্যন্সিং  এর  চাহিদা  দিন   দিন বাড়ছে।কারন  এই  সংক্রান্ত  কাজের  চাহিদা  দিন দিন  বেড়ে  যাচ্ছে।এই   সময়ে প্রত্যেকটি ব্যবসায় প্রতিষ্টান  তাদেও  কাজের প্রয়োজনে  ওয়েবসাইট  ডিজাইন   করছে।ফলে   প্রচুর পরিমান ওয়েবসাইট ডিজাইনার   এবং  ওয়েবসাইট  ডেভেলাপারদের কাজের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে।ওয়ার্ল্ড র‌্যংকিং

বিবেচনায়  ফিল্যান্সারদের মধ্যে চব্বিশ শতাংশ ভারতীয়,বাংলাদেশী রয়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ।ফিল্যান্সিং প্লাটফর্মগুলোতে  বাংলাদেশী ফিল্যান্সিংরা দাপটের সাথে কাজ করে যাচ্ছে।পশ্চিমা বিশ্বের লোকজন বাংলাদেশীদের

তাদের কাজের জন্য হায়ার করে তাদের বাংলাদেশরীরা তাদের কাজের বিনিময়ে তুলনামুলক কম  পারিশ্রমিক নিয়ে থাকে।বাংলাদেশর ফিল্যান্সিংরা  খুবই  দক্ষ হয়ে থাকে এক গবেষনায় দেখা গেছে টপ রেটেড ফিল্যান্সারদের মধ্যে

বেশিরভাগই বাংলাদেশী।তথ্য ও  যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের একটি জরিপে দেখা  গেছে বর্তমানে ৬ লক্ষ্যের অত্যধিক

ফিল্যান্সার রয়েছে

 ফিল্যান্সিং এর কাজ কি

ফিল্যান্সিং হলো  একটি  নির্দিষ্ট  কাজে দক্ষতা অর্জন করে অনলাইনে  সেই সেবা বিক্রি করা।এই কাজটি অনলাইনে করা যায় যেহেতু আপনি  ঘরে বসে করতে পারেন।

ফিল্যান্সিং  এর কাজ কীভাবে করে

ফিল্যান্সিং  এর কাজ কীভাবে করে আসুন জেনে নিই


আগেই বলেছি ফিল্যান্সিং করার জন্য  আপনাকে অবশ্যই আগে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।আপনি কি বিষয়ে কাজ শিখবেন  সে বিষয়ে আগে অনলাইনে রির্সাচ করতে পারেন।এরপর যেকোনো একটি বিষয়ে কাজ শেখা শুরু করুন।আপনি গুগল এবং ই্উটিউবের মাধ্যমে ফিল্যান্সিং শিখতে পারেন এখানে বিভিন্ন দক্ষতাবিষয়ক অসংখ্যা কনটেন্ট পাবেন।আপনি বেসিক  বিষয় শেখার পর এডভান্স  লেভেলে শেখার  জন্য অনলাইনে কোর্স করতে পারেন অথবা কোনো ট্রেনিং সেন্টার শিখতে পারেন।ওয়েব ডিজাইন  শেখার জন্য আপনার ১০-১৩ হাজার টাকা লাগতে পারে ।অন্যান্য দক্ষতাসমূহ শেখার জন্য আরো কম টাকা লাগতে পারে।

ফিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে আরো একটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হলো এবটি  ভালো কম্পিউটার বা ল্যাপটব ক্রয় করা ।ডাটা এনালাইসিস বা ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ কম কনফিগারেশনের ল্যাপটব বা কম্পিউটারে গেলেও ওয়েব ডিজাইন বা গ্রাফি´ এর  কাজ করার জন্য ভালো কনফিগারেশন এর ল্যাপটব বা কম্পিউটার প্রয়োজন।কমপক্ষে  এক বছর সময় হাতে রেখে দক্ষতা অর্জন করা উচিত।কিন্তু অনেকে আছে যারা মাত্র দুই এক মাস কাজ শিখে মার্কেটপ্লেসে আসে ফলে তাদের কাজগুলো  প্রফেশনালি হয় না এবং দিনশেষে হতাশ  হতে  হয়।এখন আসি দক্ষতা অর্জন করার পর আপনার দক্ষতা বিক্রি করতে হবে এজন্য  অনলাইনে অনেকগুলো মার্কেটপ্লেস আছে তারমধ্যে বহুল জনপ্রিয়  কিছ মার্কেটপ্লেস হলো

Fiver.com

Upwork.ammo

Freelancer.com

এই মাকেটপ্লেসগুলোতে আপনারা একাউন্ট খুলে গিগ ওপেন করবেন এবং এখানে আপনারা  অসংখ্যা বায়ার পাবেন।তাছাড়া  সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলোতে আপনারা অনেক বায়ার পাবেন যেমন ফেসবুক,টুইটার,ইন্সটাগ্রাম,লিংকডইন এবং পিনটারেস্ট।বিশেষ করে  আমি মনে করি  লিংকডইন  হলো  বায়ার পাওয়ার  বড় এবটি মাধ্যম।

ফিল্যান্সিং  এ বাংলাদেশের অবস্থান  কততম

ফিল্যান্সিং এ বাংলাদেশের অবস্থান তুতীয়।র‌্যাংকিং অনুসারে যথাক্রমে

১.ভারত

২.বাংলাদেশ

৩.মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

ফিল্যান্সিং কাজ শেখার জন্য কীসের  প্রয়োজন

ফিল্যান্সিং এর কাজ শেখার জন্য  প্রথমে  যেকোনো একটি বিষয়ের দক্ষতা প্রয়োজন।তাছাড়া  একটি  অনলাইন সংযোগ প্রয়োজন  এবং  প্রয়োজন ভালো কনফিগারেশনের ল্যাপটব বা কম্পিউটার প্রয়োজন।

ফাইবারে কোন কাজের চাহিদা বেশি

ফাইবারে কোন কাজের চাহিদা বেশি


إرسال تعليق (0)
أحدث أقدم